পাঁচ মিনিটে ঘুম আনার সহজ টেকনিক
আধুনিক মানুষের একটি কমন সমস্যা ঘুম না আসা । এমন হবার প্রধান কারণ - অধিক সময় ফোনের স্ক্রিনে চোখ থাকা, যা মস্তিষ্কে ঘুম আসার কেমিক্যাল বের হতে বাধা দেয় । ঘুম আসছে না ভেবে ফোন হাতে নিয়ে একটু ফেসবুক দেখি তো করে করে আসলে ঘুম না আসার সময়কে বাড়িয়ে দেন ।
যে কোন পরিস্থিতিতে খুব অল্প সময়ের মধ্যে ঘুম নিয়ে আসার একটি সহজ টেকনিক :
স্লো নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস ।
◼︎ বিছানার প্রান্তে রিলাক্স হয়ে বসে ধীরে ধীরে পাঁচ সেকেন্ড নিঃশ্বাস নিন ।
◼︎ দুই সেকেন্ড সেটা ধরে রাখুন ।
◼︎ পরের পাঁচ সেকেন্ডে ধীরে ধীরে নিঃশ্বাস ছাড়ুন ।
◼︎ দশ সেকেন্ড পর পর পাঁচ মিনিট এমন করে স্লো নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস ছাড়ুন ।
শরীর শিথিল হয়ে উঠবে ।
এমন নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস নিলে শরীরে এটি কিভাবে কাজ করে !
সারাদিনে বা ব্যস্ত থাকলে আমাদের শরীরের নার্ভ, হরমোন এবং মাসল গুলো সবসময় টেন্স থাকে, একটিভ থাকে, রিলাক্স থাকে না । যাকে সহজ ভাষায় বলে ফাইট অথবা ফ্লাইট কন্ডিশন । এমন স্লো রিলাক্সিং ব্রেথ শরীরের প্যারাসিম্পেথেটিক নার্ভ একটিভিটি স্টিমুলেট করে । এটার কাজ শরীরের অঙ্গগুলোকে বার্তা দেয়া যে এখন রেস্টিং সময়, তোমাদের কাজ কমিয়ে দাও । শরীর এই বার্তা পেলে তার ইন্টেন্স একটিভিটির রাশ টেনে ধরে । শরীর রিলাক্স করতে শুরু করে এবং মস্তিষ্কের একটিভিটি কমে গিয়ে ঘুম আনায় ।
আধুনিক মানুষের একটি কমন সমস্যা ঘুম না আসা । এমন হবার প্রধান কারণ - অধিক সময় ফোনের স্ক্রিনে চোখ থাকা, যা মস্তিষ্কে ঘুম আসার কেমিক্যাল বের হতে বাধা দেয় । ঘুম আসছে না ভেবে ফোন হাতে নিয়ে একটু ফেসবুক দেখি তো করে করে আসলে ঘুম না আসার সময়কে বাড়িয়ে দেন ।
যে কোন পরিস্থিতিতে খুব অল্প সময়ের মধ্যে ঘুম নিয়ে আসার একটি সহজ টেকনিক :
স্লো নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস ।
◼︎ বিছানার প্রান্তে রিলাক্স হয়ে বসে ধীরে ধীরে পাঁচ সেকেন্ড নিঃশ্বাস নিন ।
◼︎ দুই সেকেন্ড সেটা ধরে রাখুন ।
◼︎ পরের পাঁচ সেকেন্ডে ধীরে ধীরে নিঃশ্বাস ছাড়ুন ।
◼︎ দশ সেকেন্ড পর পর পাঁচ মিনিট এমন করে স্লো নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস ছাড়ুন ।
শরীর শিথিল হয়ে উঠবে ।
এমন নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস নিলে শরীরে এটি কিভাবে কাজ করে !
সারাদিনে বা ব্যস্ত থাকলে আমাদের শরীরের নার্ভ, হরমোন এবং মাসল গুলো সবসময় টেন্স থাকে, একটিভ থাকে, রিলাক্স থাকে না । যাকে সহজ ভাষায় বলে ফাইট অথবা ফ্লাইট কন্ডিশন । এমন স্লো রিলাক্সিং ব্রেথ শরীরের প্যারাসিম্পেথেটিক নার্ভ একটিভিটি স্টিমুলেট করে । এটার কাজ শরীরের অঙ্গগুলোকে বার্তা দেয়া যে এখন রেস্টিং সময়, তোমাদের কাজ কমিয়ে দাও । শরীর এই বার্তা পেলে তার ইন্টেন্স একটিভিটির রাশ টেনে ধরে । শরীর রিলাক্স করতে শুরু করে এবং মস্তিষ্কের একটিভিটি কমে গিয়ে ঘুম আনায় ।

0 Comments