জ্যাক মা Jack ma

জ্যাক মা Jack ma

 “জ্যাক মা – একটি ইতিহাস আর অনুপ্রেরণা”



বর্তমানে যুগের তরুন বা তরুনী প্রজন্মকে যুদি চাকরি ও উদ্যোক্তা এই দুইটার মধ্যে যে কোন একটি নিজেদের ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে বলা হয় শতকরা ৮০-৮৫% তরুন বা তরুনী চাকরি টাকেই পছন্দ করবেন আর হয়তোবা ১৫-২০% উদ্যোক্তা হতে চাইবেন।

সত্যিই বলতে যারাই যুকি নিতে চায় না তাড়াই চাকরি করে এইতে কোন যুকি নেই দিনের নির্দিষ্ট সময় কাজ করে মাস শেষে নির্দিষ্ট বেতনের টাকা পাওয়ার নিচ্ছোয়তা থাকে। আর উদ্যোক্তা না হওয়ায় মূল কারণ এতে যুকি নেই ও মাস শেষে নির্দিষ্ট বেতনের ও ইনকাম নিচ্ছিত। আর উদ্যোক্তা হলে ইনভেস্টমেন্ট ও কঠোর পরিশ্রম করতে হয় ও যুকি আছে কিন্তু ইনকাম নিশ্চিত ও নির্দিষ্ট নেই এই জন্যই অনেকে এই উদ্যোক্তা হতে চায় না।

সত্যি বলতে বর্তমানে চাকরি টাকেই বেশিরভাগ তরুন তরুনী সোনার হরিণ ভাবে কিন্তু সত্যি কার অর্থে উদ্যোক্তা হচ্ছে আসল সোনার হরিণ।

আলিবাবা প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা তার বয়স যখন ২৬ বছর তখনো কিন্তু ০ ডলার ও মালিক ছিলেন না কিন্তু তার উদ্যোক্তা হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন ২৭ বছর বয়সে কিন্তু প্রথম দিকে কোন কিছুই হয়তোবা হয়নি কিন্তু জ্যাক মা বিশ্বাস করতো কিছু একটা হবে এবং তার কাজের পরিমান বাড়িয়ে দেয় ও সৎতার সঙ্গে এগিয়ে যান কিন্তু ৫৫ বছর বয়সে এসে ৪৮ বিলিয়ন ডলার এর মালিক তিনি।

তরুন ও তরুণীদের এইটাই কথা বলবো চাকরির জন্য না সুটে উদ্যোক্তা হতে চেষ্টা করুন তাহলে জিবনে ইতিহাস গড়তে পারবেন।

জ্যাক মা ও তার জীবনের ইতিহাস ও অনুপ্রেরণা কিছু কথাঃ

বর্তমান বিশ্বে তরুন উদ্যোক্তাদের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণার নাম জ্যাক মা। তাঁর মত, বা তাঁরচেয়ে বড় সাফল্য হয়তো অনেকেই পেয়েছেন, কিন্তু চরম দরিদ্র অবস্থা থেকে শুধুমাত্র নিজের মনোবল আর আত্মবিশ্বাসকে পুঁজি করে, শত প্রতিকুলতার মাঝে উঠে আসার ক্ষেত্রে জ্যাক মা অনন্য।

আজকের পৃথিবীর কোটি কোটি তরুণের আইডল, ভালোবাসার মানুষ, কাছের মানুষ জ্যাক মা। হাজার কোটি ডলারের মালিক হয়েও যিনি নিজের শেকড় ভুলে যাননি। চালচলন, কথাবার্তায় আজও তিনি সেই “মা-ইউন”।

এত সাফল্যের পরও যাঁর পা মাটিতেই আছে। হাজার হাজার কর্মীকে উ‌ৎসাহ আর আনন্দ দিতে যিনি রীতিমত স‌ঙ সেজে মঞ্চে পারফর্ম করেন। নিজের দেশ আর তরুণদের উন্নয়নের জন্য নিজের হাতে গড়া প্রতিষ্ঠানের লোভনীয় পদ থেকে ইস্তফা দিতেও যাঁর বাধে না।

তাঁর জীবনী আমাদের শিক্ষা দেয়, পরিস্থিতি যত কঠিনই হোক, যত ব্যর্থতাই আসুক, মানুষ যদি নিজের বড় হওয়ার লক্ষ্যে অটল থাকে – তবে কিছুই অসম্ভব নয়।




হার্ভার্ডে ১০ বার প্রত্যাখ্যাত হয়ে জ্যাক মা নিজেকে বলেছিলেন: “পড়তে হয়তো পারলাম না, কিন্তু আমি একদিন ওখানে লেকচার দেব”

এখানেই জ্যাক মার মত মানুষের সাথে সাধারন মানুষের পার্থক্য। একারণেই তিনি একজন মানুষ হয়েও, একটি ইতিহাস হতে পেরেছেন।

স্বপ্ন দেখে ব্যর্থ হলে অন্যরা যখন স্বপ্ন দেখার সাহসই হারিয়ে ফেলে, জ্যাক মা এর মত মানুষেরা আরও বড় স্বপ্ন দেখেন। এই স্বপ্ন দেখে যেতে পারা, ও ব্যর্থতায় ভেঙে না পড়াই জ্যাক মার মত মানুষদের সাফল্যের গোপন সূত্র।

আমরা আশা করি জ্যাক মার জীবন কাহিনী আপনাকেও অনুপ্রাণিত করবে।

জ্যাক মার জীবনী আপনার কাছে কেমন লেগেছে, লাইক দিয়ে তা আমাদের কমেন্ট করে জানান। যদি মনে হয় এই লেখা থেকে অন্যরাও অনুপ্রাণিত হবে – তবে শেয়ার করে সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিন। সাফল্যের পথে প্রতিটি পদক্ষেপে আপনাদের সাথে থাকতে চায়।


 

Post a Comment

0 Comments